1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  3. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কদর বেড়েছে খেজুর রসের। - Provati Bangladesh | দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে (জেএএফ) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নান্দাইলে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে একের পর এক ফন্দিতে ব্যস্ত ওয়াসিম, শালিসে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা শিবচরে মনোনয়ন ফিরে পাবার প্রত্যাশায় মশাল মিছিল বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা যেন নিভে না যায়: শান্তিগঞ্জে ঢাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম । ছাতকে উপজেলা ও পৌর জামায়াতের আয়োজনে ছাত্র- নাগরিক সমাবেশ | বিজিবির অভিযানে সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় বিভিন্ন মালামাল জব্দ। এনায়েতপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রোগ মুক্তি কামনায় কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কুরআন খতম ও গণ দোয়া আয়োজন করা হয় কুলিয়ারচরে। কেশবপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে অবৈধ অ,স্ত্র ও ই,য়া,বা,সহ গ্রে,প্তার ৪

লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কদর বেড়েছে খেজুর রসের।

এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন, লালমনিরহাট।
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে
22

এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন, লালমনিরহাট।

 

লালমনিরহাটে শীতের সাথে ‌বেড়েছে খেজুরের রসের‌ চাহিদা। বছর জুড়ে খেজুর গাছ অবহেলায় পরে থাকলেও শীতে চর্চা শুরু হয় ব্যাপকভাবে রসের চাহিদায়। গ্রামীণ মেটো পথ ও সবুজে ঘেরা মাঠে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা খেজুরগাছগুলো এখন গাছিদের দখলে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছের রস সংগ্রহ ও গাছ প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন গাছিরা। এখন মাঠে ময়দানে, রাস্তায় খেজুর গাছে দেখা মিলছে গাছির। গাছিরা খেজুর গাছকে সুন্দর করে পরিষ্কার করে গাছের বুক চিরে রস বের করে। গ্রাম বাংলায় ঘরে ঘরে শীতের সকালে নাস্তাতে রসের সাথে মুড়ি খাওয়ার প্রচলন রয়েছে দীর্ঘদিনের । শীতকালীন পিঠাপুলি, পায়েসসহ রকমারি খাবার তৈরীতে রস ও খেজুরগুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খেজুরের রসের পায়েস, পিঠে, পুলি, ক্ষীর, সন্দেশ, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ পিঠাসহ হরেক রকমের বাহারি পিঠা তৈরি করা হয়।

আবার অনেকে গাছিদের কাছ থেকে টাটকা রস সংগ্রহ করে তা পান করে থাকেন।

আকারভেদে প্রতিটি গাছ থেকে ১২ ঘন্টায় ৪ -১০ লিটার খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয়।

 

বর্তমানে জেলা শহরের বিভিন্ন মোড়ে ভ্রাম্যমাণ দোকান গুলোতে শীতের মৌসুমের পিঠার সাথে সাথে সকালে ও বিকালে বিক্রি হচ্ছে খেজুরের রস, স্বাদ নিচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ। এক গ্রাস রস সর্বোচ্চ ১০ -১৫ টাকায় বিক্রি হয়। শুধু রস বিক্রি করে অনেকটাই আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে গাছিরা।

 

বুধবার বিকেলে বড়বাড়ী বাজারে শিমুলতলা বাস কাউন্টারের ‌ সামনে দেখা যায়, একজন গাছি খেজুরের রসের ভার সাজিয়ে রাস্তার পাশে বসে আছে ।‌ আর পথচারীরা সড়কে দাঁড়িয়ে গ্লাসে গ্লাসে রস পান করছেন।

অনেকেই নিজে খেয়ে পরিবারের জন্যও নিয়ে যাচ্ছে। কথা হয় গাছির রস খেতে দাঁড়িয়ে পড়া মিজানুর রহমান (২৮)এর সাথে, তিনি বলেন, শীতে খেজুরের রস কার না ভালো লাগে। শীত আসলেই রস খেতে মন চায়।

ছোট বেলা থেকে খেজুরের রস খাওয়া আমার অভ্যাস। খেজুরের রসের স্বাদই আলাদা। যেটা অন্য কোন রসে নেই। তাই ১৫ টাকা করে ২ গ্লাস রস খেলাম ।

 

তিস্তাপাড়ের গাছি রস বিক্রেতা তরেজামাল( ৪৩) বলেন, আমি অনেক পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রস বিক্রি করি।

প্রতিদিন ১ থেকে ২ হাজার টাকার রস বিক্রি হয়। মাঝে মাঝে তাঁর থেকেও বেশি টাকার বিক্রি হয়। তিনি বলেন, আমরা গাছিরা শীতের শুরুতেই খেজুর গাছের রস সংগ্রহ করতে শুরু করি। তবে আরো আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হয়। আর এই খেজুর বাগান মৌসুম ভিত্তিতে লিজ নিয়ে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করি। আবার সেইসব গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করি।

 

বড়বাড়ী বাজারের জাহিদ ফার্টিলাইজারে স্বত্বাধিকারী মোঃ জাহিদ হোসেন(৪০) বাসস’কে বলেন, গত ১০ থেকে ১৫ বছর আগেও লালমনিরহাটে সদর এলাকায় যে পরিমাণ খেজুর গাছ ছিলো এখন তা অর্ধেকেরও কম হয়ে গেছে । মানুষ প্রয়োজনে আবার কিছুটা অপ্রয়োজনে খেজুর গাছ কেটে ফেলছে, এক সময় খেজুর গাছের ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। এ জন্য দ্রুত সবাই কে উদ্যোগ নিয়ে বেশি বেশি খেজুর গাছ রোপণ করতে হবে।

 

ডা.মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন,

খেজুর রস সুস্বাদু ও উপকারী পানীয়। তবে এই খেজুরের রসে রোগ জীবাণু থাকার আশঙ্কা রয়েছে । তাই কাঁচা খেজুর রস ফুটিয়ে খেতে পারলে রোগ জীবাণু ছড়ানোর আশংকা অনেকাংশেই কম থাকবে। তাই নিজের কথা চিন্তা করে সবাইকে খেজুর ও তালের রস ফুটিয়ে খাওয়া উচিত।

 

লালমনিরহাট জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, ড. মোঃ সাইফুল আরিফিন জানান, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় খেজুর গাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তাছাড়া খেজুরের রস ও গুড় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। তিনি বলেন,আগে যে পরিমান খেজুর গাছ ছিলো বর্তমানে তাঁর অর্ধেকে নেমে এসেছে। জেলার বিভিন্ন গ্রামে খেজুর গাছের সঠিক পরিচর্যা করা হলে তার থেকে বাণিজ্যিকভাবে আয় করা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বোস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট