
সাহের আলী রৌমারী উপজেলা প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন থেকে বিদ্যুতের কাঠের খুটি সুকৌশলে চুরি করে বিক্রি ও নৌকা তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের ফোরম্যান মিজানুর রহমান মিজান এর বিরুদ্ধে।তবে জামালপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির রৌমারী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের খঞ্জনমারা এলাকায়।সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, জামালপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেন এর রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ফোরম্যান হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান।সে উপজেলার উত্তর খঞ্জনমারা গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে।সে দীর্ঘদিন থেকে এই এলাকায় পল্লি বিদ্যুতের পুরাতন ও নতুন সংযোগ লাইনের ফোরম্যান হিসেবে কাজ করে আসছেন।নিজ এলাকার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে উত্তর খঞ্জনমারা গ্রামের গোলাম হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছে ওই বিদ্যুতের কাঠের খুটি চুরি করে বিক্রি করেন মিজান।চুরি করা কাঠ দিয়ে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।তাছাড়াও অন্যান্যদের কাছেও একইভাবে ওই খুটিগুলো বিক্রি করা হয়।অপর দিকে মিজান তার নিকট আত্মীয়র সাথে আতাত করে বিদ্যুতের কাঠের খুটি চুরি করে প্রায় ৪০ হাত একটি নৌকা তৈরি করেন মিজান।বর্তমানে ওই নৌকাটি ব্রহ্মপুত্র নদীতে ভাড়ায় পরিচালিত হচ্ছে। গোলাম হোসেন বলেন, মিজানুর রহমান মিজানের কাছ থেকে একটি বিদ্যুতের খুটি ১৪ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি এবং ওই কাঠ দিয়ে আমি ঘর তৈরি করেছি।মিজান আরো অনেকজনের কাছে এই কাঠ বিক্রি করেছে।ঠিকাদারের ফোরম্যান মিজানুর রহমান মিজান জানান,ডিজিএম স্যারের সাথে পরামর্শ করে বিদ্যুতের খুটি দিয়ে একটি নৌকা তৈরি করেছি।এছাড়া অপর একটি খুটি গোলাম হোসেনের কাছে কিছু টাকা নিয়ে বিক্রি করেছি। জামালপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি রৌমারী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, খুটি চুরি করে বিক্রির ঘটনাটি আমি যোগদানের আগে।তবুও খোজখবর নিচ্ছি।