1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  3. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
বরিশালে মাদকে ভরপুর পুলিশের নাকের ডগায় মাদক বিক্রি নিষ্ক্রিয় স্থানীয়রা - Provati Bangladesh | দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালকিনিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ তিনজন আটক যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মিজানুর রহমানের ৫৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা রাজিবপুরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা, হাজারো জনতার ঢল মানিকগঞ্জ জেলা জাসাসের উদ্যোগে সাটুরিয়া উপজেলায় রিতা’র নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে মায়ানমারগামী অ/বৈ/ধ সিমেন্ট পাচার ব্যর্থ, সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্ট গার্ডের হাতে আ/ট/ক ১০ রহনপুর পৌরসভায় আমিরে জামায়াত ডাক্তার শফিকুর রহমান আগমন উপলক্ষে গণ মিছিল অনুষ্ঠিত। যশোর-১ শার্শা উপজেলার অন্তর্গত ১০নং শার্শা সদর ইউনিয়নের নাভারন ডিগ্রীকলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। কোন চাঁদাবাজ ও দূর্নীতিবাজ এর স্থান হবে না ঠাকুরগাঁওয়ে সাতক্ষীরা -১ আসনে কলারোয়া এবং তালা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের নির্বাচনের আলোচনা জনগণ নেতা কর্মী মুখরীত।

বরিশালে মাদকে ভরপুর পুলিশের নাকের ডগায় মাদক বিক্রি নিষ্ক্রিয় স্থানীয়রা

বরিশাল ব্যুরো প্রধান 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে
60

বরিশাল ব্যুরো প্রধান 

বরিশাল নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন, বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়ি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন চলে প্রকাশ্যে।

 

স্কুল-কলেজের অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে স্পটগুলোতে গিয়ে মাদক সেবন করে। বিনোদন স্পটগুলোতে মাদক সেবনকারীদের কারণে ঘুরতে যাওয়া মুশকিল। শুধু নগরী নয়, বরিশাল জেলাজুড়ে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে আছে মাদক বিক্রির নেটওয়ার্ক।

 

এদের অধিকাংশই এক বা একাধিকবার মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়। পরে জামিনে বেরিয়ে আবার জড়িয়ে পড়েছে মাদক ব্যবসায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, নগরীর রূপাতলী এলাকায় ফয়সাল সহযোগীদের নিয়ে ফেনসিডিল বিক্রি করে। তার সঙ্গে রয়েছে মিলন মোল্লা, কালাম মোল্লা, সাগরদী এলাকার দুলাল, সাজু, শাহীন ওরফে দেড়শ শাহীন, আমতলায় মেহেদী, সাইদ।

 

এছাড়া নুরিয়া স্কুল এলাকার রন্টি, মনির, ইনান, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সিমন, জাকির, ডায়াবেটিক হাসপাতালে পরিমল ওরফে অপু, নিউ সার্কুলার রোডের রূপক, বাংলাবাজার এলাকার রফিক ও আরমান, খালেদাবাদ রিফিউজি কলোনির লাকি ও সাথি ইয়াবা-গাঁজার খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা।

 

আর ভাটার খাল এলাকার মুন্না ও তার স্ত্রী যুঁথি, কেডিসি এলাকার নিলু, টিএনটি কলোনির কালু, সদর রোড ও ঈশ্বর বসু রোড এলাকার জোসি, রসুলপুরের কমলা, লিপি ও পলাশ, কেডিসি এলাকার নজরুল ও তার স্ত্রী নাজমা, স্টেডিয়াম কলোনির বাপ্পি, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের সেজান এবং ওয়াপদা কলোনির সোহেল মাদকের খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা।

 

নাজির পুলের রফিক, নজরুল, সি এন্ড বি রোডের কামাল ওরফে মাইজ্যা কামাল ও জামাল, থানা কাউন্সিল পুকুর পাড়ের সুমন, সোনা মিয়ার পুল এলাকার রিয়াজ, শেরেবাংলা সড়কের রিয়াজুল, বিএম কলেজের দিলওয়ার গাঁজা বিক্রি করে। নতুনবাজার এলাকার হারুন, রাকিব, বেবী নিয়মিত ফেনসিডিল বিক্রি করে। কাউনিয়া পান্থ সড়কে হাতকাটা নিজাম, পশ্চিম কাউনিয়ার শাওন, কাউনিয়া শিশু কলোনির মিরাজ এবং কাউনিয়া হাউজিং এলাকার মজনু দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করছে।

 

পলাশপুর বউবাজার এলাকার কালাম, ১নং পলাশপুরের ডগ স্বপন, ২নং পলাশপুরে ভাসাই, পেডা শাহীন ও রাজিব-আঁখি দম্পতি, নান্টুর ছেলে ইসমাইল, পলাশপুর ৪নং গলির রাকিব, ৫নং পলাশপুর জামাই বাজারের স্বপন ও শাকিল, পলাশপুর ৭নং গলির রিপন এবং মোহাম্মদপুর এলাকার জনি বহুদিন ধরে মাদক ব্যবসা করছে।

 

এর বাইরে বাউয়া সোহাগ, ভাঙ্গারি সোহেল ময়লাখোলা এলাকায় রাশেদ ও তার স্ত্রী লাবনী মাদক বিক্রি করে। বাসু মিয়ার গলির বাসিন্দা ভাঙ্গারি রাশেদ ও মুন্নি, বিসিক এলাকার কমিশনার গলির সোহেল, বিসিক বাস্তুহারা কলোনির সজল ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে। আর তালতলী এলাকার রাসেল মেম্বার ইয়াবার পাইকারি বিক্রেতা। চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চরাবদানি গ্রামের লোড সুমন, কামাল, রফিক, গাঁজা কামাল, নাসিমা বেগম ও নুপুর ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

 

বিমানবন্দর থানা এলাকার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী চওঠা গ্রামের চডা রাসেল, কাশিপুর বাজারের জাহিদ সজল ইয়াবা ও ফেনসিডিল বিক্রির সঙ্গে জড়িত, বন্দর থানাধীন চরকাউয়া মুসলিমপাড়া এলাকার রাজু ও তার স্ত্রী লাকি, চরকাউয়া বরইতলা এলাকার কবির ও রনি, খেয়াঘাটের মিলন, জিরো পয়েন্ট এলাকার হাড্ডি সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে।

 

চর আইচা এআরখান স্কুল এলাকার মিজান ও তার ছেলে জিয়া, কর্ণকাঠি চৌমাথা এলাকায় রুবেল, রাজিব, শুভ, বাহাদুর, চরকরঞ্জি এলাকার রিশাদ, শাহ আলম, দিনারের পোল এলাকার শাওন ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য হলো-মাদকের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্সে আছে। যে কোনো মূল্যে মাদক কারবারিদের সমূলে উৎপাটনে তারা কাজ করছে।

 

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির মজুমদার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। আর যেসব মাদক বিক্রেতার কথা বলা হয়েছে তারা সবাই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বোস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট