নিয়ামতপুরে চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ- আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে

এম,এ,মান্নান, স্টাফ রিপোর্টার,নিয়ামতপুর (নওগাঁ)
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা সদরে চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা সাড়ে ৩ টায় নিয়ামতপুর বাজারের সেন্টু মেশিনারিজ অ্যান্ড হার্ডওয়ার দোকানে এ ঘটনাটি ঘটে।আহত ব্যবসায়ী মোঃ মাহাবুর হাসান বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি দোকানে এসে ব্যবসায়ী মাহাবুর হাসানের কাছে চাঁদার দাবি করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দাবি প্রত্যাখ্যান করলে একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গলার একটি স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়।এ সময় ব্যবসায়ী আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে দোকানের বাইরে পালানোর চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে আরও কয়েক দফা মারধর করে বলে জানা গেছে।দোকান ফাঁকা পেয়ে হামলাকারীরা ক্যাশ বাক্ম ভেঙ্গে ২৮০০০০(দুই লক্ষ আশি হাজার টাকা নিয়ে যায়। হামলায় মোঃ মাহাবুর হাসান মারাত্মক আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে(১) মোঃ বাবু পিতা-রিয়াজ আলী,গ্রাম-বাসুদেবপুর (২) মাসুম পিতা-আনারুল ইসলাম বাসুদেবপুর(৩)মজিদুল ইসলাম পিতা-হুদা গ্রাম-বাসুদেবপুর (৪) সুজন পিতা-ছাইফুল গ্রাম- নেহেন্দা এছাড়াও অঙ্গাত সন্ত্রাসী বাহিনী।এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বাজারে এক শ্রেণির অসামাজিক ও সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও দাপট দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের আতঙ্কে রেখেছে। এই ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা।একাধিক দোকানদার জানিয়েছেন, হামলার পর বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানপাট কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।আহত মাহাবুর হাসানের বাবা মোঃ জালাল উদ্দীন সেন্টু সাংবাদিকদের জানান,আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিয়ামতপুর বাজারসহ উপজেলা জুড়ে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।বর্তমানে এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানায় সাধারন ডায়েরি করেছেন আহত মাহাবুব হাসানের বাবা মোঃ জালাল উদ্দীন সেন্টু।

