1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. contentmgr4426@outlook.com : contentmgr44 :
  3. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  4. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  5. siteadmin3468@gmail.com : siteadmin34 :
১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| বিকাল ৪:৪৭|
Title :
গাজীপুরে বিশ্ব নৃত্য দিবসে ৮ টি সংগঠনের নৃত্য পরিবেশন গাজীপুরে বাল্যবিবাহ সিন্ডিকেট ও কাজীর হুমকি: সাংবাদিক নির্যাতনের দীর্ঘ তালিকায় নতুন আতঙ্ক ‎গাজীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক যোগ দিলেন চৌধুরী ইশরাক কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফেনীসহ ৩৬ জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের আশ্বাস জামায়াত আমিরের ভেজাল গুড় উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী- হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৪ হাজার পিস ই য়া বা সহ পায়রাপরিবহনের ড্রাইভার আ ট ক রৌমারীতে ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে ধানের শীষের বিশাল জনসভা, হাজারো মানুষের ঢল সাংবাদিকদের জন্য দারুন সুখবর

মেসার্স মুনা ব্রিকস, নিয়ম ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন।

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬,
  • 442 Time View
907

মেসার্স মুনা ব্রিকস, নিয়ম ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন।

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:

মো: শাকিল হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার
পটুয়াখালী জেলা

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের কেওরাবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত মুনা ব্রিকস সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে।নিম্ন মানের চিমনি ও নিষিদ্ধ লাকরি,ব‍্যবহার করে ইট পুড়িয়ে যাচ্ছে যার ফলে পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে,এই মুনা ব্রিকস এর ম‍্যানেজার সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের পরিবেশের ছাড়পএ সহ সকলধরনের লাইনেন্স আপডেট আছে কি-না সে সঠিক কোন জবাব দিতে পারে নি।তাদের কাছে পরিবেশ বা প্রশাসন এর কোন লোক আসে কি-না জানতে চাওয়ায়,তারা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বা কর্মচারী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা বা কর্মচারী কেউ এই মুনা ব্রিকস ভিজিট করে নাই। ভিজিট করা ছাড়া কিভাবে মুনা ব্রিকসকে ছাড়পএ দিল?শিশু শ্রমিক দের প্রসঙ্গে কথা বললে মুনা ব্রিকস এর ম‍্যানেজার বলে অল্প টাকায় পাওয়া যায় তাই মালিক পক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এই ভাটাগুলোতে ইট তৈরির কাজে কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) এবং নদীর চরের মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, উপকূলীয় এলাকায় এভাবে মাটি খননের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ভাটার কালো ধোঁয়া এবং ধুলাবালি এলাকার প্রাণ-প্রকৃতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ভাটা গুলতে নিম্ন মানের চিমনি দিয়ে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া সরাসরি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এবং এই ইটভাটার মালবাহী ট্রলি চলার কারনে সাধারন জনগনের চলাচলের রাস্তা নষ্ট করছে এতে বর্ষায় কাদা এবং শূস্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারনে বিদ‍্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং এলকার সাধারন জনগনের
চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।
এছাড়াও মুনা ব্রিকস এর আশেপাশে বসবাস করা সাধারন মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুস সহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এখন চরমে।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী নদীর তীর ও সরকারি জমিতে ইটভাটা স্থাপন দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ এই অবৈধ ও জনস্বার্থ বিরোধী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026