
ফেনীতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি।
মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে ১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ২টি বেসরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন
ফেনী জেলার জনগণের জন্য সুষ্ঠু, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর ওপর নিয়মিত মনিটরিং ও সুপারভিশন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
আজ ২৮/০১/২৬ তারিখে ফেনী জেলার মান্যবর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম মহোদয়–এর নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত মনিটরিং ও সুপারভিশনের অংশ হিসেবে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের একটি পরিদর্শন টিম শহরের ১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ২টি বেসরকারি হাসপাতাল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন টিমের নেতৃত্ব দেন স্বয়ং মান্যবর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম মহোদয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আব্দুল্লাহ আব্বাসী মহোদয়, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইমাম হোসেন মহোদয়, ডা. আমির খসরু মহোদয় এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমটি (ল্যাব) জনাব মাইনউদ্দিন মহোদয়।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস যাচাই করা হয়।
এর মধ্যে ছিল—
ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তিপত্র, ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স, আণবিক শক্তি কমিশনের লাইসেন্সসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
এছাড়াও প্রতিষ্ঠানগুলোর ভৌত অবকাঠামো ও সুবিধাদি যেমন—অভ্যর্থনা কক্ষ, নমুনা সংগ্রহ কক্ষ, এক্স-রে রুম, ল্যাবরেটরি কক্ষ পরিদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে ল্যাবের যন্ত্রপাতির মান ও কার্যকারিতা, পরীক্ষার নির্ভুলতা এবং ল্যাবে সার্বিকভাবে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় আছে কিনা তা পরিদর্শন টিম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ফেনীর জনগণ যাতে নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে লক্ষ্যে মান্যবর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম মহোদয়–এর নেতৃত্বে এ ধরনের মনিটরিং ও সুপারভিশন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।