1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. contentmgr4426@outlook.com : contentmgr44 :
  3. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  4. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  5. siteadmin3468@gmail.com : siteadmin34 :
২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| ভোর ৫:১৭|
Title :
গাজীপুরে বিশ্ব নৃত্য দিবসে ৮ টি সংগঠনের নৃত্য পরিবেশন গাজীপুরে বাল্যবিবাহ সিন্ডিকেট ও কাজীর হুমকি: সাংবাদিক নির্যাতনের দীর্ঘ তালিকায় নতুন আতঙ্ক ‎গাজীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক যোগ দিলেন চৌধুরী ইশরাক কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফেনীসহ ৩৬ জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের আশ্বাস জামায়াত আমিরের ভেজাল গুড় উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী- হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৪ হাজার পিস ই য়া বা সহ পায়রাপরিবহনের ড্রাইভার আ ট ক রৌমারীতে ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে ধানের শীষের বিশাল জনসভা, হাজারো মানুষের ঢল সাংবাদিকদের জন্য দারুন সুখবর

নওগাঁয় ২০ বছর ধরে অবৈধ ভাবে চাকরি করেন ফিরোজ।

মোঃজাহাঙ্গীর আলম নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শুক্রবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২৫,
  • 201 Time View
124

নওগাঁর মান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ফিরোজ আহম্মদ খাঁনের বিরুদ্ধে ২০ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে দুটি পদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। কখনো তিনি অফিস সহকারী, কখনো সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত থেকে নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন বলে জানা গেছে।

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:

ফিরোজ আহম্মদ খাঁন ১৯৯৬ সালের ২ নভেম্বর অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন। পরে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে একই প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। তবে তিনি অফিস সহকারী পদ থেকে পদত্যাগ না করেই নতুন পদে নিয়োগ গ্রহণ করেন। যা বিধিসম্মত নয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফিরোজ আহম্মদ খাঁন ২০১৩ সালের মে মাসে সহকারী শিক্ষক পদে এমপিওভুক্ত হন। একই মাসে তার নামে দুটি পদেই সরকারি বেতন ইস্যু হয়। তবে তিনি সহকারী শিক্ষক পদে বেতনভাতা উত্তোলন করেন।

২০১৩ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ জটিলতার কারণে তার সহকারী শিক্ষক পদটি স্থগিত হলে তিনি পুনরায় অফিস সহকারী পদে ফিরে যান এবং সেই পদে নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছেন।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক প্রয়াত আফাজ উদ্দিন মণ্ডলের সময়ে ফিরোজ আহম্মদ খাঁনের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার বড় ভাই আব্দুল মালেক খাঁন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন। তিনি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছিলেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ আলম মিয়া জানান, একই প্রতিষ্ঠানে এক পদে পদত্যাগ না করে অন্য পদে নিয়োগ নেওয়া নিয়মবহির্ভূত। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফিরোজ আহম্মদ খাঁন বলেন, ‘বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি আমাকে যেভাবে নিয়োগ দিয়েছে, আমি সেভাবেই চাকরি করছি। এর বাইরে কিছু বলতে পারছি না।’

বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছুরত আলী প্রামাণিক বলেন, ‘ফিরোজ আহম্মদ খাঁনের নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনসম্মত ছিল না। তার এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়াও অবৈধভাবে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026