
দুইটি (২) অভিযোগ দায়ের কোন প্রতিকার নেই
ডেক্স রিপোর্ট
ভুক্তভূগি নিলুফা ইয়াসমিন (৪১) পিতা- মোঃ সুরত আলী, স্বামী- মৃত গুলজার হোসেন, মাতা-সুফিয়া বেগম,সাং-যাদবপুর, ইউনিয়ন -যাদবপুর, থানা-ধামরাই,জেলা- ঢাকা,নিজেই থানায় হাজির হইয়া অভিযোগ দায়ের করেন বিগত ১০/১২ মাস পূর্বে তার নিজ স্বামী-গুলজার হোসেন আকস্মিক ভাবে ইন্তেকাল করেন। ইন্তেকালের পূর্বে আমার স্বামী ও আমার নিকট হইতে বিবাদি (১) কামরুল ইসলাম (৬৫)পিতা-আঃ সবুর,(২) রশিদা বেগম(৪০) স্বামী মৃত-গুলজার হোসেন, (৩) মুন্না (৬৭) পিতা- মঙ্গল বেপাড়ী,সর্ব সাং- চক্রবর্তী, থানা- আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা গন সহ অঙ্গাতনামা আরও ৩/৪ জন গাড়ী ব্যবসা করার কথা বলিয়া হ্যান ক্যাশ হিসেবে ১০,০০,০০০/=(দশ লক্ষ)টাকা গ্রহন করিয়া যথারীতি সে টাকা পরিশোধ না করিয়া ঘুরাইয়া আসিতেছে। পরবর্তীতে আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে আমি বিবাদি নিকট আমাদের পাওয়ানা টাকা ফেরত চাহিলে, বিবাদিগন আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি দিয়া আসিতেছে। আমি বিবাদিগনকে মোবাইল ফোনে কল করিলেও বিবাদিগন আমার কল রিসিভ করে না।সর্বশেষ ইং ০৪/০৮/২০২৫খ্রি সকাল অনুমান ১১ঃ৩০ ঘটিকার সময় আমি স্হানীয় বেশ কয়েকজন লোকজনের সমন্বয়ে বিবাদীদের ঠিকানায় গিয়া আমার পাওনা টাকা ফেরত চাহিলে, বিবাদিগন আমার ও আমার স্বামীর নিকট হইতে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে গৃহিত ১০ লক্ষ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে। ইহাতে আমি প্রতিবাদ করিলে, বিবাদিগন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ সহ মারধর করার জন্য উদ্যত হয়।আমি পুনরায় প্রতিবাদ করিলে, বিবাদিগন আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করতঃ এই বিষয়ে থানা পুলিশ করিয়া বেশি বাড়াবাড়ি করিলে তাহারা আমাকে দেখিয়া নেওয়া সহ সুযোগ মতো পাইলে জীবনে শেষ করিয়া ফেলবে বলিয়া হুমকি দেয়। এমতাবস্হায় উল্লিখিত ঘটনাটি স্হানীয়ভাবে অবগত করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল। এতেও আমি আশুলিয়া থানার মাধ্যমে শরনাপূর্ন হলেও থানা থেকে কোন প্রকার প্রতিকার বা এ অভিযোগে তদন্তের কোন কোন প্রতিকার পেলাম না, এমন যদি হয় থানার কার্যকরী, তাহলে আমার মত নিরিহ গার্মেন্টস কর্মীদের কোথায় যেয়ে দাড়াবে। কার কাছে যেয়ে ছায়া পাবো, কে দিবে আমাদের ভরসা বেচে থাকার সুযোগ। আমি এখন কি করিবো ভেবে কিছুই ঠিক পাচ্ছি না, আমি এখন ও অনেক টাকার ঋন, এখন দেখা যায় আমার মৃত্যু ছাড়া কোন পথ নেই,যেহেতু পুলিশ আমাদের গরিবের বন্ধু বা গরিবের ভাই, কিন্ত এদের কাছ থেকেও আমি কোন ছুড়াহা পেলাম না সেই আশুলিয়া থানা থেকে এখান কার এস আই মামুন ও মনিরুল সাহেবর নিকট দু জনের দুইটি সাধার ড্রাইরী করে দেওয়া হয়েছে