
বিশেষ প্রতিবেদক, কক্সবাজার
মহেশখালী ঘাটে জালাল নামের এক ব্যক্তির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ পর্যটক সহ সাধারণ মানুষ, সচেতন মহলের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মহেশখালী ঘাটের গোলচক্কর এলাকায় জালাল নামের এক ব্যক্তির লাগামহীন সন্ত্রাসী আচরণ ও বর্বর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পর্যটকসহ স্থানীয় জনসাধারণ। এলাকাবাসীর অভিযোগ—প্রতিদিন তার হুমকি, মারমুখী আচরণ এবং দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
গতকাল কুতুবজুম ইউনিয়নের সেলিম অসুস্থ বাচ্চা সহ তার পুরো পরিবার নিয়ে কক্সবাজার আসার সময় সেলিমের সাথে এমন ঘটনা ঘটান জালাল। তার সাথে আরো যুক্ত হন টমটম লাইনম্যান বাবুসহ আরো কিছু যুবক তারা এমন আচরণ করেন যার কারনে সাথে থাকা বাচ্চা গুলো ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেন । এটা শুধুমাত্র একজন সেলিমের সাথে ঘটা ঘটনা এরকম অহরহ ঘটনা প্রতিনিয়ত সে করে যাচ্ছে ঘাট দিয়ে চলাচলরত পর্যটক সহ সাধারণ মানুষের সাথে । টাকা দিলে অথবা তার প্রশ্রয় দাতা যারা আছে তাদের নির্দেশনা পেলে গাড়ি ঘাটের শেষ প্রান্ত অবদি যায় নয় তো যায় না ।
এই বিষয়ে স্থানীয় এক এনজিও কর্মকর্তার সাথে কথা বললে উনি জানান, ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, বয়োবৃদ্ধ জালাল যে ভাষা গুলো ব্যবহার করেছেন এ গুলো কোন সভ্য সমাজ মুখে আনা এবং শোনা অসম্ভব, উনি আরো বলেন নিয়মিত আসা যাওয়া করতে হয় তাই অনেক কিছু অন্ধের মতো দেখে থাকি ও বধির এর মতো শুনে থাকি তাদের কাছে আমরা সাধারন যাত্রী ও পর্যটকরা এক প্রকার অসহায়, এখনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে শক্ত পদক্ষেপ না নিলে এদের থেকে বাচার কোন উপায় নেই ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, এই গ্রুপের জালালের সঙ্গে সাথে যুক্ত আছেন টমটম লাইনম্যান বাবুসহ একটি সংঘবদ্ধ কিশোরগ্যাং চক্র, যা স্থানীয় নিরাপত্তার জন্য আরও বড় হুমকি স্বরূপ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অসংখ্য পর্যটকসহ স্থানীয় যাত্রী প্রতিদিন মহেশখালী ঘাটে ব্যবহারের স্বীকার হয়ে থাকেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একজন অসভ্য ও নৃশংস ব্যক্তির দাপট সভ্য সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও বিপজ্জনক।
সচেতন মহল মনে করছেন, জালাল কেবল একজন ব্যক্তি নয় সে সিন্ডিকেটের প্রত্বিছবি মাত্র, একই রকম ভাবে এখানে সক্রিয় আছে বোট সিন্ডিকেট, স্পিডবোট সিন্ডিকেট ও ।
সাধারন মানুষের জোর দাবি অবিলম্বে তাকে অপসারণ করে তার স্থলে একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পায় এবং মহেশখালী ঘাট এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসে।
এই বিষয়ে প্রতিবেদক মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’র সথে যোগাযোগ করলে উনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশ্বস্থ করেন ।