1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  3. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
ঝিনাইদহে ফ্রুটিং ব্যাগে কলা চাষে লাভবান কৃষকরা - Provati Bangladesh | দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালকিনিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ তিনজন আটক যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মিজানুর রহমানের ৫৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা রাজিবপুরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা, হাজারো জনতার ঢল মানিকগঞ্জ জেলা জাসাসের উদ্যোগে সাটুরিয়া উপজেলায় রিতা’র নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে মায়ানমারগামী অ/বৈ/ধ সিমেন্ট পাচার ব্যর্থ, সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্ট গার্ডের হাতে আ/ট/ক ১০ রহনপুর পৌরসভায় আমিরে জামায়াত ডাক্তার শফিকুর রহমান আগমন উপলক্ষে গণ মিছিল অনুষ্ঠিত। যশোর-১ শার্শা উপজেলার অন্তর্গত ১০নং শার্শা সদর ইউনিয়নের নাভারন ডিগ্রীকলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। কোন চাঁদাবাজ ও দূর্নীতিবাজ এর স্থান হবে না ঠাকুরগাঁওয়ে সাতক্ষীরা -১ আসনে কলারোয়া এবং তালা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের নির্বাচনের আলোচনা জনগণ নেতা কর্মী মুখরীত।

ঝিনাইদহে ফ্রুটিং ব্যাগে কলা চাষে লাভবান কৃষকরা

জুবায়ের রহমান ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে
48

জুবায়ের রহমান ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 

ঝিনাইদহে সার্টিফিকেট মামলায় আসামী হয়ে শত শত কৃষক হয়রানী হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এক লাখ টাকার নিচে ঋন পরিশোধ করতে না পারায় কৃষকদের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। তবে এসব মামলা নিস্পত্তিতে দীর্ঘসুত্রিতা ও বছরের পর বছর চলার কারণে দরিদ্র কৃষকরা চরমভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহে ৭৭০ কৃষকের নামে ঝুলছে সার্টিফিকেট মামলার খড়গ। মামলার কারণে অনেক কৃষক হতাশাগ্রস্থ হয়ে এনজিও’র কাছ থেকে নতুন করে আবার ঋন নিয়ে ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ঝিনাইদহ জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসারের দপ্তর সুত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ঝিনাইদহের ৬ উপজেলার ৭৮৭ জন কৃষকের নামে সার্টিফিকেট মামলা করা হয়। এসব কৃষকের কাছে ব্যাংকের মোট পাওয়ানা ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ১৭টি মামলা নিস্পত্তির মাধ্যমে টাকা আদায় হয়েছে ৮ লাখ ১৫ হাজার। ঋন গ্রহনকারী কৃষকরা বছলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের দাম না পাওয়া ও বৈশিক অর্থনীতির মন্দার কারণে তারা আর্থিক ভাবে সচ্ছল হতে পারছেন না। এ কারণে তারা ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে না পেরে মামলায় জড়াচ্ছেন। ফলে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, বিআরডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মামলায় আসামী হয়েছেন। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসার ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার নিরুপমা রায় নওসীনা আরিফ ব্যাস্ত থাকায় কথা বলতে চাননি। ঝিনাইদহের মানবাধিকার কর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু বলেন, মামলা কোন সমাধান নয়। মামলা দেখে কৃষকরা ভয় পান। কারণ কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মৃল চালিকা শক্তি। তিনি বলেন, কৃষি ঋন আদায়ের ক্ষেত্রে কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা খুজে বের করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি সায়েদুল আলম জানান, দরিদ্র কৃষকের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে ব্যাংকগুলো যতটা তৎপর, ঠিক ততটাই নিক্রিয় বড় বড় ঋণখেলাপির কাছ থেকে টাকা আদায়ে। তিনি জানান, ঋণ আদায়ে এমন বৈষম্য কাম্য নয়। কৃষকদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানী বন্ধ করা উচিৎ বলেও তিনি মনে করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বোস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট