
মোঃ সোহরাব হোসেন (রাজু) ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঘোষণা করেছেন যে, বিএনপি কিংবা অন্য কোনো ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাদের নির্বাচনী জোট গঠনের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি স্পষ্ট করেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই কেবল বিএনপি সহ অন্যান্য দলের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে।সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া বাজারে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান এসব কথা জানান।ঐকমত্যের ৩১ দফা, জোট নিয়ে আলোচনা বাকি রাশেদ খান বলেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রতি গণঅধিকার পরিষদ এবং অন্যান্য ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলো নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী বর্তমান সংগ্রামেও তারা বিএনপির সঙ্গে এক মঞ্চে লড়েছেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট গঠনের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপির মধ্যে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।নির্বাচনী এলাকার চিত্র পর্যবেক্ষণ তিনি বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঝিনাইদহ-২ আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নিবিড়ভাবে গণসংযোগ চালাচ্ছেন।রাশেদ খান জানান,গণঅধিকার পরিষদের বর্তমান জনপ্রিয়তা এবং জনসমর্থনের প্রকৃত চিত্র যাচাই করতে তাঁরা মাঠ পর্যায়ে বিভিন্নভাবে জরিপ ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে ভোটের মাঠের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।জোট হলে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিএনপির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত যদি জোট গঠিত হয়, সে ক্ষেত্রে করণীয় কী হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান বলেন, জোটের প্রার্থীদের বিষয়ে বিএনপি তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেবে। জোটের মনোনীত প্রার্থীকে বিএনপির কর্মী ও সমর্থকেরা কিভাবে সহযোগিতা করবেন, সেই বিষয়টিও বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেন, তারেক রহমান একবার কাউকে জোট প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর বিএনপির কোনো নেতাকর্মী তার বিরোধিতা করবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন,আমার নিজ নির্বাচনী এলাকার বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও আমার গভীর ও হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।