
মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :
খুলনার উপকুলীয় উপজেলা কয়রার দুর্গম ও নদী ঘেরা অঞ্চলের মানুষের সাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি নৌ- অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বেলা ১১ টায় উপকুল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের উদ্যোগে কয়রার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নাগরিক ও স্থানীয় সচেতন যুব সমাজের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কয়রার অধিকাংশ ইউনিয়ন নদী বেষ্টিত হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কিংবা জোয়ারের সময় রোগী পরিবহন অত্যান্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।সময়মত চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় অনেক সময় গুরুতর রোগীদের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।
উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩৫ কিলোমিটার দুরে সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত কয়রার দক্ষিন বেদকাশি ইউনিয়ন। এছাড়া উওর বেদকাশী, মহেশ্বরীপুর নদী তীরবর্তী দুর্গম এলাকা গুলোতে যাতায়াতের জন্য শাকবাড়িয়া, কয়রা নদী ও কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাধ ছাড়া আর কোন মাধ্যম নেই। তবে এই বেড়িবাঁধের রাস্তার কোথাও কোথাও পথে হেটে ছাড়া চলাচলই অসম্ভব। বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের জন্য নৌ- যান ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। এসব এলাকায় কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার বাহিরে কোন চিকিৎসা সেবা নেই। এই বাস্তবতায়, কয়রায় একটি নৌ- অ্যাম্বুলেন্স জরুরি প্রয়োজন।
স্মারকলিপি হস্তান্তর কালে উপস্থিত ছিলেন, উপকুল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক শেখ আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব মো: সাইফুল ইসলাম, কয়রা প্রেসক্লাবের সভাপতি সদর উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরো কয়রা উপজেলা সভাপতি তরিকুল ইসলাম, প্রথম আলো কয়রা বন্ধু সভার সভাপতি শিক্ষক মেসবাহউদ্দিন, কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দীন, কয়রা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, কয়রা জলবায়ু পরিষদের সংগঠক নিরাপদ মুন্ডা, উপকুল ও সুন্দরবন সংরক্ষন আন্দোলনের সদস্য জি এম মোনায়েম, রাসেল আহমেদ, মনিরুল ইসলাম, মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।