1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : অ্যাডমিন :
  2. contentmgr4426@outlook.com : contentmgr44 :
  3. hussainbillah32@gmail.com : Hussain Billah : Hussain Billah
  4. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  5. siteadmin3468@gmail.com : siteadmin34 :
২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| সকাল ১১:১৯|
Title :
গাজীপুরে বিশ্ব নৃত্য দিবসে ৮ টি সংগঠনের নৃত্য পরিবেশন গাজীপুরে বাল্যবিবাহ সিন্ডিকেট ও কাজীর হুমকি: সাংবাদিক নির্যাতনের দীর্ঘ তালিকায় নতুন আতঙ্ক ‎গাজীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক যোগ দিলেন চৌধুরী ইশরাক কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফেনীসহ ৩৬ জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের আশ্বাস জামায়াত আমিরের ভেজাল গুড় উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী- হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৪ হাজার পিস ই য়া বা সহ পায়রাপরিবহনের ড্রাইভার আ ট ক রৌমারীতে ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে ধানের শীষের বিশাল জনসভা, হাজারো মানুষের ঢল সাংবাদিকদের জন্য দারুন সুখবর

সাইন্স ফিকশন :টাইমলুপের গোপনীয়তা

আমিরুল ইসলাম জীবন 
  • Update Time : শনিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৫,
  • 199 Time View
106

আমিরুল ইসলাম জীবন 

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:

মেঘাচ্ছন্ন এক বিকেল। ড. আমিরুল ইসলাম , একজন মেধাবী পদার্থবিদ, তার গবেষণাগারে বসে একটি পরীক্ষায় ব্যস্ত। তার গবেষণার বিষয় ছিল “টাইমলুপ,” অর্থাৎ সময়ের একটি চক্রের ভেতর দিয়ে পুনরাবৃত্তি করা। তিনি একটি শক্তিশালী কণার ত্বরণযন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা সময়ের প্রবাহকে বাঁকিয়ে দিতে সক্ষম।

গবেষণার সহকারী হালিমা তাকে সতর্ক করলেন,ডক্টর, আপনি নিশ্চিত তো? এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।”আমিরুল মৃদু হাসলেন। “বিজ্ঞান ঝুঁকি ছাড়া সম্ভব নয়, হালিমা। আজ যদি সফল হই, তাহলে ইতিহাসে আমাদের নাম লেখা থাকবে।”

তারা যন্ত্রটি চালু করলেন। মেশিন থেকে বেরিয়ে এলো একটি ধাতব ধ্বনি, এবং হঠাৎই চারপাশের সবকিছু স্থির হয়ে গেল। আমিরুল দেখতে পেলেন, তার হাত ঘড়ির কাঁটা চলা বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তিনি নিজে চলাফেরা করতে পারছেন।

একটি আকস্মিক আলো বিচ্ছুরিত হয়ে তাকে টেনে নিয়ে গেল অন্য এক সময়ে। তিনি দেখলেন, এটি ভবিষ্যৎ। ভবিষ্যতের ঢাকা শহর ছিল এক রোবট নিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির নগরী। মানুষ খুব কম, তবে চারপাশে শুধু যন্ত্র।

একজন বৃদ্ধ এসে তার কাছে দাঁড়ালেন।“তুমি কি টাইমলুপ ভেঙেছো?”আমিরুল হতভম্ব হয়ে প্রশ্ন করলেন, “আপনি কে?”আমি তুমি। পঞ্চাশ বছর পরের তুমি। তুমি যে যন্ত্রটি চালু করেছো, তা ভবিষ্যৎ ও অতীতকে একসূত্রে বেঁধে ফেলেছে। এখন সময় স্থবির হয়ে যাবে যদি না তুমি এটি বন্ধ করো।”

 

আমিরুল বুঝতে পারলেন, টাইমলুপের সৃষ্টির ফলে সময় একটি চক্রে আবদ্ধ হয়ে আছে। এর সমাধান করতে হলে তাকে মেশিনটি ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু মেশিন ধ্বংস করলে তিনি নিজেও আর নিজের সময়ে ফিরে যেতে পারবেন না।এদিকে, হালিমা অতীতে বসে চিন্তিত। “আমিরুল কোথায় গেলেন?”

 

ভবিষ্যৎ আমিরুল তাকে একটি কোড দিলেন, যা টাইমলুপ বন্ধ করতে সাহায্য করবে। কিন্তু একটি শর্ত ছিল—এই কোড ব্যবহার করলে তার অস্তিত্ব মুছে যাবে।নিজের দায়িত্ব ও আবেগের মধ্যে দ্বিধায় পড়ে গেলেন আমিরুল। কিন্তু তিনি জানতেন, সময়ের সঠিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কোডটি সক্রিয় করলেন।

 

এক ঝলক আলো দেখা গেল, আর সময় স্বাভাবিক হয়ে গেল। কিন্তু ড. আমিরুল ইসালাম কোথাও নেই। হালিমা চোখ মুছতে মুছতে তার গবেষণাগারে ফিরে এলেন। টেবিলের উপর পড়ে থাকা একটি চিরকুটে লেখা ছিল:

“সময়ের জন্য আমি আমার অস্তিত্ব ত্যাগ করলাম। মনে রেখো, প্রতিটি ত্যাগই ইতিহাস তৈরি করে।”হালিমা জানতেন, তার গবেষণাগারে থাকা প্রতিটি যন্ত্র আমিরুলের স্বপ্নের অংশ। তিনি সেই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার শপথ নিলেন।

 

এমন একটি ভবিষ্যৎ তৈরি হলো যেখানে টাইমলুপের সঠিক ব্যবহার মানবজাতির কল্যাণে সম্ভব হলো। আর ড. আমিরুলের নাম বিজ্ঞান জগতে চিরকালীন হয়ে রইল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026