1. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  2. info@www.provatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পত্নীতলায় বিএনপির কর্মী সমাবেশ ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন ‎দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত মেহেরপুর জেলা বিএনপির সম্মেলন, নতুন নেতৃত্বে জাভেদ মাসুদ মিল্টন সভাপতি ও কামরুল হাসান সাধারণ সম্পাদক গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুরের উপর হা*মলার প্রতিবাদে নীলফামারীর জলঢাকায় সমাবেশ ও বি’ক্ষো’ভ মিছিল অনুষ্ঠিত। চৌদ্দগ্রামে করপাটি গ্রাম ইউনিট জামায়াতের মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত উলিপুর জাতীয় পার্টির আতিয়ার মুন্সী আহবায়ক ও সোবহান সদস্য সচিব সাতক্ষীরায় ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে সর্বদলীয় বিক্ষোভ মিছিল ভিপি নূরের উপর হামলার প্রতিবাদে চৌদ্দগ্রামে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল ভিপি নূরের উপর হামলার প্রতিবাদে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ প্রতিবাদ ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিন) কর্তৃক ০২টি চোরাই স্মার্ট মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার ০২ জন। তালায় বায়না জমি অন্যত্র বিক্রি করায় বৃদ্ধকে খুঁটিতে বেঁধে মারধর, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বহিষ্কার

৩১ দফা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির

দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

৩১ দফা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির

মো: মহিদুল ইসলাম বগুড়া সোনাতলা উপজেলা প্রতিনিধি

:
৩১ দফা দাবির পূর্ণ বাস্তবায়ন ও জনস্বার্থে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে মাঠে নেমেছেন এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শ ও নীতিতে বিশ্বাসী এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৬ বগুড়া ১ সোনাতলা সারিয়াকান্দি আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখাকে সামনে রেখে তিনি নির্বাচনী এলাকায় জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুশাসন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই এই প্রচারণা গড়ে তুলেছেন তিনি।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমান যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, তা দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক কাঠামোর পূর্ণ সংস্কারের একটি যুগান্তকারী রূপরেখা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এসব দফায় দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার রক্ষা, অবাধ নির্বাচন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এবং জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক হিসেবে তিনি মনে করেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ আরো সুগম হবে। তিনি আরো বলেন, “৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক দলীয় ইশতেহার নয়, এটি জাতির ভবিষ্যতের রূপরেখা। এর প্রতিটি দফাই জনগণের দাবি ও অধিকার প্রতিফলিত করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এসব দফা বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি ৩১ দফার গুরুত্ব তুলে ধরছেন এবং তরুণ প্রজন্মকে এ বিষয়ে সচেতন করতে উদ্যোগ নিচ্ছেন।এই ৩১ দফা শুধু একটি রাজনৈতিক ইশতেহার নয়, বরং একটি জাতির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়নের পথনির্দেশনা। তিনি বলেন, “এই ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ হবে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও কল্যাণরাষ্ট্র।”প্রতিদিন ভোর থেকে রাত অবধি তিনি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম ও বাজার চষে বেড়াচ্ছেন। কখনও উঠান বৈঠক, কখনও হাটে-বাজারে পথসভা, আবার কখনও সাধারণ মানুষের ঘরে গিয়ে চা পান করে তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিচ্ছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং যুব সমাজের বিপুল অংশ।গণসংযোগের সময় তিনি জনগণের নিকট তার পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, ও নারীর ক্ষমতায়নসহ নানাবিধ উন্নয়ন পরিকল্পনা তার প্রচারণার অন্যতম বিষয়। তিনি জানান, এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনার অবসান ঘটাতেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন।তাঁর এই জনমুখী, সুশৃঙ্খল এবং ভিন্নধর্মী নির্বাচনী প্রচারণা ইতোমধ্যেই জনসাধারণের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষ বলছেন,এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির একজন মাটি ও মানুষের নেতা, যিনি সত্যিকার অর্থে জনসেবায় নিয়োজিত। তিনি অঙ্গীকার করেছেন—যদি তিনি মনোনয়ন পান ও নির্বাচিত হন, তবে তিনি তারেক রহমানের ৩১ দফাকে মূল ভিত্তি করে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করবেন।এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির একজন নির্ভর একজন নির্লোভ, নিষ্ঠাবান এবং উন্নয়নমুখী রাজনীতিক। তার চিন্তা-ভাবনায় আছে আধুনিকতা, কাজের মধ্যে আছে স্বচ্ছতা এবং মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। তার নেতৃত্বে ৩৬ বগুড়া ১ আসন যদি বিএনপি’র প্রতিনিধিত্ব পায়, তবে এই অঞ্চলকে একটি আধুনিক মডেল নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে—এমন আশাবাদ করছেন স্থানীয় জনগণ। দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়নের যে লড়াই শুরু হয়েছে, তার অন্যতম কাণ্ডারি হিসেবে এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির এখন এক প্রেরণার নাম। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের যাত্রায় তার এই প্রচেষ্টা আগামী দিনের জন্য একটি সাহসী ও ইতিবাচক বার্তা বহন করে।স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, এ কে এমন আহসানুল তৈয়ব জাকিরের মতো উদ্যমী নেতার নেতৃত্বে আন্দোলন এগিয়ে গেলে দেশের রাজনীতিতে একটি গঠনমূলক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট