পাবনার ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: ইফতেখারুল ইসলাম
ঘটনার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার ফোনে নির্দেশ দেন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। তার নির্দেশেই দ্রুত নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও ফোন করে মামলা গ্রহণে বিশেষ নির্দেশনা দেন।অবশেষে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে প্রাণী কল্যাণ আইন–২০১৯ এর ৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয় ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী নিশি রহমান (৩৮)–কে।মঙ্গলবার রাত দেড়টা। ঈশ্বরদী পৌরসভার রহিমপুর গার্লস স্কুলের পাশের একটি বাড়িতে তখন টান টান উত্তেজনা। পুলিশ দরজায় কড়া নাড়তেই খুলে দাঁড়ান নিশি। দৃশ্যটি দেখে স্থানীয়দের চোখে-মুখে তখন শুধু অবিশ্বাস—একজন শিক্ষিত সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রীই এত অমানবিক হতে পারেন!
ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি