মোঃ দেলোয়ার হোসেন স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ভাংঙ্গিরপাড়া গ্রামে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে (১৩) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পরিচালক মোঃ জহুরুল ইসলামের (৪১) বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা মোছাঃ চামেলী বেগম এ বিষয়ে গাবতলী মডেল থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহারে বলা হয়, চামেলী বেগমের মেয়ে মোছাঃ জান্নাতী আক্তার(১৩), বগুড়া সদর থানাধীন ঠনঠনিয়া এলাকার আল-ওতি ন্যাশনাল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।
গত ১৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মেয়েটি তার নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল গাবতলী থানাধীন সুখানপুকুর ভাংঙ্গিরপাড়া গ্রামে।পরবর্তীতে, ৩০ আগস্ট ২০২৫ বিকাল ৩টায়, সে নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। মেয়েকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পরদিন (৩১ আগস্ট) থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৫৩৩) করেন ভুক্তভোগী মা। জিডি করার পর, পুলিশের সহায়তায় জানা যায় যে, মাদ্রাসা পরিচালক মোঃ জহুরুল ইসলাম পূর্ব থেকেই মেয়েটিকে প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল।
অভিযুক্ত শিক্ষক ৩০ আগস্ট বিকালে মসজিদের সামনে থেকে অজ্ঞাত সিএনজি যোগে মেয়েটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং বগুড়া সদর থানার সাবগ্রাম এলাকায় একটি অজ্ঞাত বাসায় নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার মা ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ব্যক্তি, যেমন হেলেনা বেগম (৫০) ও মোঃ নেহারুল ইসলাম (২৫) সহ আরও অনেকে ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করেন, তার স্বামী ঢাকা থেকে ফিরে এলে পারিবারিকভাবে পরামর্শ করে থানায় এসে দেরিতে এজাহার দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার অবিলম্বে অভিযুক্ত মোঃ জহুরুল ইসলামের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।